Tuesday, January 6, 2026

Commander




Commander 
Scientific Name : Moduza procris ( Cramer, 1777 ) 
Family : Nymphalidae
Subfamily : Limenitidinae
Tribe : Limenitidini 
Specie : 

Commander প্রজাপতিটি যার বৈজ্ঞানিক হলো হলো Moduza procris (Cramer, 1777),দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বনভূমিতে দেখতে পাওয়া একটি মনোমুগ্ধকর প্রজাতি।  এই প্রজাতিটি Brush-footed Butterflies (Nymphalidae) পরিবারের অন্তর্গত। এদের সামনের পা দুটি খুব ছোট এবং তুলির মতো রোমে ঢাকা থাকে, যা উড্ডয়ন বা বসার সময় ব্যবহৃত হয় না। এর ডানার নকশা এবং রঙের বিন্যাস এতটাই স্বতন্ত্র যে একে সহজেই শনাক্ত করা যায়।


দৈহিক বর্ণনা ঃ  

Commander প্রজাপতিটি মাঝারি আকারের, এর ডানার বিস্তার সাধারণত ৬.০–৭.৫ সেন্টিমিটার।
 প্রাপ্তবয়স্ক প্রজাপতির ডানার উপরিভাগের মূল (ভূমি) রঙ উজ্জ্বল লালচে-বাদামী থেকে উষ্ণ কমলা-বাদামী (ferruginous to orange-brown), এবং গোড়ার অংশে কখনো কখনো সামান্য জলপাই-হলদে আভা পরিলক্ষিত হয়।

সামনের ও পিছনের ডানার মধ্যভাগ বরাবর একটি প্রশস্ত, সুস্পষ্ট দুধ-সাদা থেকে নীলাভ-সাদা অনুপ্রস্থ macular band বিস্তৃত থাকে, যা সামনের ডানার কোষে অবস্থিত বড় ত্রিভুজাকৃতির সাদা দাগ থেকে শুরু হয়ে পিছনের ডানার mid-dorsal অঞ্চলের দিকে প্রসারিত। উড়ন্ত অবস্থায় এটি একটি V-আকৃতির নকশা তৈরি করে। সামনের ডানার শীর্ষভাগের কাছে চারটি সাব-এপিকাল (subapical) সাদা দাগ উপস্থিত থাকে, যেগুলি আকারে ভিন্নতাযুক্ত এবং কালো বর্ডার দ্বারা পরিবেষ্টিত। সামনের ডানার কোষের উপরের ও নিচের অংশে একাধিক সরু কালো দণ্ড (bars) দেখা যায়, এবং ডিসকাল (discal) অঞ্চলে কালো প্রান্তবিশিষ্ট সাদা ম্যাকুলার দাগগুলির (black-bordered white macular spots) একটি সুসংগঠিত বিন্যাস বিন্যাস রয়েছে। ডানার বাইরের প্রান্ত বরাবর একটি প্রশস্ত, ঢেউ খেলানো কালো প্রান্তীয় ব্যান্ড (broad, wavy black marginal band) থাকে, যার ভেতরের প্রান্ত অর্ধচন্দ্রাকৃতি (subcrescentic) বা কখনো কখনো দাঁতাকৃত (occasionally dentate) হয়।এই ব্যান্ডের ভেতরে submarginal অঞ্চলে কালো দাগের একটি সারি এবং সূক্ষ্ম ধূসর ঢেউখেলানো রেখা লক্ষ্য করা যায়।

Hindwing প্রান্ত স্পষ্টভাবে করাতের দাঁতের মতো খাঁজকাটা (crenulated)।প্রতিটি পিছনের ডানায় submarginal ও post-discal অঞ্চলে কালো দাগের দুটি পৃথক সারি উপস্থিত থাকে এবং কোষটি খোলা প্রকৃতির (open cell)।ডানার নিম্নভাগের নকশা উপরিভাগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলেও রঙ তুলনামূলকভাবে ফ্যাকাশে।ডানার গোড়ার অর্ধাংশ ফ্যাকাশে নীলচে-ধূসর বা সবুজাভ-ধূসর, যেখানে বাইরের discal অঞ্চল লালচে-বাদামী। অনুপ্রস্থ সাদা macular band টি নিম্নভাগেও দৃশ্যমান থাকে, তবে কম উজ্জ্বল। Marginal ও submarginal কালো দাগগুলি নিম্নভাগে অধিক স্পষ্ট এবং প্রান্তীয় রেখাগুলি ঢেউ খেলানো বা সামান্য খাঁজকাটা প্রকৃতির। মাথা গোলাকার ও মাঝারি আকারের; চোখ বড়, মসৃণ, লোমহীন এবং ব্রোঞ্জি-বাদামী বর্ণের। antennae কালো, মাঝারি দৈর্ঘ্যের এবং ধীরে ধীরে প্রশস্ত হয়ে ডগায় সুস্পষ্ট গদা-আকৃতির (clubbed) স্ফীততা তৈরি করে; নিম্নভাগে ডগার দিকে হালকা লালচে আভা থাকে।labial palpi তুলনামূলকভাবে লম্বা, উপরিভাগ কালো এবং নিম্নভাগ সবুজাভ-সাদা থেকে ধূসর, সূক্ষ্ম লোমে আবৃত। proboscis সম্পূর্ণ বিকশিত, সরু এবং গাঢ় বর্ণের।thorax দৃঢ় ও পেশিবহুল, উপরিভাগ লালচে-বাদামী এবং নিম্নভাগ নীলাভ-ধূসর, সূক্ষ্ম লোমে আবৃত। Nymphalidae পরিবারের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সামনের জোড়া পা অত্যন্ত ছোট ও রোমশ, ব্রাশ-সদৃশ এবং চলাচলের কাজে ব্যবহৃত হয় না।মধ্য ও পশ্চাৎ পা তুলনামূলকভাবে লম্বা, শক্ত এবং নীলাভ-ধূসর বর্ণের, সূক্ষ্ম নখরযুক্ত। abdomen সরু, নলাকার এবং মাঝারি দৈর্ঘ্যের; উপরিভাগ লালচে-বাদামী বা মরচে-লাল এবং নিম্নভাগ নীলাভ-ধূসর।abdomen এর খণ্ডগুলো সুস্পষ্টভাবে পৃথক এবং সূক্ষ্ম লোমে আবৃত। 

পুরুষ ও স্ত্রী প্রজাপতির বাহ্যিক দৈহিক গঠনে উল্লেখযোগ্য কোনো যৌন দ্বিরূপতা পরিলক্ষিত হয় না।


 আচরণ ঃ 

Commander প্রজাপতি একটি সক্রিয় ও দৃঢ়চেতা প্রজাতি, যার চলাফেরা ও উড্ডয়নে শক্তিমত্তার ছাপ স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। এদের উড়ান সাধারণত দ্রুত এবং হঠাৎ দিক পরিবর্তনকারী; কখনো জোরালো ডানার ঝাপটায় এগিয়ে যায়, আবার কখনো অল্প সময়ের জন্য নিঃশব্দে ভেসে থাকে। যদিও এরা শক্তিশালী উড়ুক্কু, তবুও এদের গতিবিধি মূলত নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।

প্রাপ্তবয়স্ক কমান্ডার প্রজাপতিরা খাদ্য সংগ্রহের জন্য বিভিন্ন প্রকার ফুলগাছ, ঝোপ ও ভেষজ উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। ফুলে বসার সময় এরা খুব বেশি সময় নষ্ট করে না; অল্প সময়ের মধ্যেই মধু গ্রহণ করে পরবর্তী গন্তব্যে চলে যায়।

পুরুষ প্রজাপতিদের আচরণ স্ত্রীদের তুলনায় কিছুটা আলাদা। দিনের উষ্ণ সময়ে এদের প্রায়ই খোলা জায়গায়—যেমন নদীর বালুচর, খালের ধারে, ভেজা রাস্তার অংশ বা বড় পাথরের ওপর বসে থাকতে দেখা যায়। খনিজসমৃদ্ধ স্যাঁতসেঁতে মাটির প্রতি এদের বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে, যেখানে তারা দলবদ্ধভাবে পাডলিং করে প্রয়োজনীয় লবণ ও খনিজ সংগ্রহ করে। কখনো কখনো এই কাজে তারা দীর্ঘ সময় ব্যয় করে এবং মাঝে মাঝে রোদ পোহাতে থাকে।

সব মিলিয়ে, কমান্ডার প্রজাপতি একটি একাকী স্বভাবের, আত্মবিশ্বাসী এবং লক্ষ্যভিত্তিক উড্ডয়নকারী প্রজাতি।


আবাস্থল ঃ 

Commander প্রজাপতি সাধারণত নিম্নভূমি থেকে মাঝারি উচ্চতার বনাঞ্চলে বেশি দেখা যায়। আর্দ্র চিরসবুজ বন, আধা-চিরসবুজ বন এবং বনঘেঁষা পাহাড়ি এলাকাই এদের প্রধান আবাসস্থল। উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু এই প্রজাতির বিস্তারের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। এসব স্থানে এদের বনপথ ধরে উড়তে, ঝরনা বা ছোট ছড়ার  আশেপাশে ঘোরাফেরা করতে এবং ভেজা মাটিতে বিশ্রাম নিতে দেখা যায়।মূলত  সংরক্ষিত প্রাকৃতিক বনাঞ্চলের ওপর নির্ভরশীল এরা। 

বাংলাদেশের অবস্থান ঃ 

বাংলাদেশে Commander প্রজাপতি একটি স্থানীয়ভাবে সীমিত কিন্তু নিশ্চিতভাবে উপস্থিত প্রজাতি। এদের উপস্থিতি মূলত দেশের বনাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকাগুলোর সঙ্গে সম্পর্কিত।

এই প্রজাপতিটি প্রধানত চট্টগ্রাম বিভাগসিলেট বিভাগের বনভূমিতে দেখা যায়। বিশেষ করে চট্টগ্রাম হিল ট্র্যাক্টস, কক্সবাজারের বনাঞ্চল, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং পার্শ্ববর্তী সংরক্ষিত বনাঞ্চলগুলোতে এদের উপস্থিতির তথ্য পাওয়া গেছে।

বৈশ্বিক অবস্থান ঃ 

Commander প্রজাপতি  মূলত দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি বিস্তৃতভাবে দেখতে পাওয়া যায়। এদের বিস্তৃতি ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে শুরু করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশ পর্যন্ত প্রসারিত।এই প্রজাতিটি ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, এবং শ্রীলঙ্কা–তে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে কমান্ডার প্রজাপতির উপস্থিতি প্রধানত বনাঞ্চল ও সংরক্ষিত প্রাকৃতিক এলাকায় সীমাবদ্ধ।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়র মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত। এছাড়াও এটি দক্ষিণ চীন ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলেও নথিভুক্ত হয়েছে।  


জীবনচক্র ঃ 

কমান্ডার প্রজাপতির জীবনচক্র অন্যান্য ন্যাম্পালিড (Nymphalidae) পরিবারের প্রজাপতিদের মতোই চারটি সুস্পষ্ট ধাপে সম্পন্ন হয় ডিম, শুঁয়োপোকা, পিউপা ও পূর্ণাঙ্গ প্রজাপতি।

১. ডিম (Egg) ঃ 

স্ত্রী কমান্ডার প্রজাপতি সাধারণত উপযুক্ত আশ্রয় উদ্ভিদের পাতার ওপর এককভাবে বা অল্প সংখ্যায় ডিম পাড়ে। ডিমগুলো আকারে ছোট এবং পাতার সঙ্গে ভালোভাবে লেগে থাকে, যা প্রাথমিক পর্যায়ে শিকারি থেকে কিছুটা সুরক্ষা দেয়।

২. শুঁয়োপোকা (Larva / Caterpillar) ঃ 

ডিম ফুটে বের হওয়ার পর শুঁয়োপোকা পর্যায় শুরু হয়। এই পর্যায়ে শুঁয়োপোকা সক্রিয়ভাবে আশ্রয় উদ্ভিদের পাতা খেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পায়। বৃদ্ধি চলাকালে এটি একাধিকবার খোলস পরিবর্তন (molting) করে। শুঁয়োপোকা সাধারণত পাতার নিচের দিকে বা গাছের আড়ালে অবস্থান করে, যা তাকে শত্রু থেকে আড়াল করতে সাহায্য করে।

৩. পিউপা বা গুটি (Pupa / Chrysalis) ঃ 

পর্যাপ্ত বৃদ্ধি শেষে শুঁয়োপোকা খাদ্য গ্রহণ বন্ধ করে একটি নিরাপদ স্থানে নিজেকে ঝুলিয়ে পিউপা বা গুটিতে রূপান্তরিত হয়। এই পর্যায়ে বাহ্যিকভাবে কোনো নড়াচড়া দেখা না গেলেও, ভেতরে ভেতরে শুঁয়োপোকা ধীরে ধীরে পূর্ণাঙ্গ প্রজাপতিতে রূপ নেয়।

৪. পূর্ণাঙ্গ প্রজাপতি (Adult) ঃ 

পিউপা পর্যায় শেষ হলে সেখান থেকে পূর্ণাঙ্গ কমান্ডার প্রজাপতি বের হয়। প্রথমদিকে ডানাগুলো নরম ও ভাঁজ করা থাকে, পরে ধীরে ধীরে শক্ত ও প্রসারিত হয়। এরপর প্রজাপতি উড়তে সক্ষম হয় এবং খাদ্য সংগ্রহ, প্রজনন ও প্রজাতির ধারাবাহিকতা রক্ষার কাজে অংশ নেয়।


হোস্ট প্লান্ট : 

(Host Plants of Commander – Moduza procris)

কমান্ডার প্রজাপতির শুঁয়োপোকা সাধারণত বনাঞ্চলে জন্মানো প্রশস্ত পাতার বৃক্ষজাত উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল বলে ধারণা করা হয়। অন্যান্য ন্যাম্পালিড প্রজাপতির মতোই এ প্রজাতির শুঁয়োপোকারা মূলত বনজ গাছ ও ঝোপজাতীয় উদ্ভিদের পাতা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।

প্রাকৃতিক আবাসস্থল ও পারিবারিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে অনুমান করা যায় যে, এই প্রজাতির হোস্ট প্লান্টগুলো প্রধানত

  • চিরসবুজ ও আধা-চিরসবুজ বনাঞ্চলের গাছ

  • ছায়াপ্রিয় বনজ উদ্ভিদ

  • ঝোপজাতীয় প্রাকৃতিক উদ্ভিদ

হতে পারে। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নির্দিষ্ট হোস্ট প্লান্ট সম্পর্কে বিস্তারিত মাঠভিত্তিক তথ্য এখনো সীমিত।

নেক্টার প্লান্ট : 

(Nectar Plants of Commander – Moduza procris)

প্রাপ্তবয়স্ক কমান্ডার প্রজাপতি বিভিন্ন ধরনের ফুলযুক্ত উদ্ভিদ থেকে মধু সংগ্রহ করে। এরা সাধারণত বনাঞ্চল ও বনপ্রান্তে জন্মানো ভেষজ উদ্ভিদ, ঝোপঝাড় এবং ছোট ফুলওয়ালা গাছের প্রতি আকৃষ্ট হয়।

নেক্টার গ্রহণের ক্ষেত্রে কমান্ডার প্রজাপতিরা সাধারণত

  • ছোট থেকে মাঝারি আকারের ফুল

  • খোলা ও সহজে মধু পাওয়া যায় এমন ফুল

  • বনপথ, ঝরনা ও খালের আশেপাশে জন্মানো ফুলগাছ

পরিদর্শন করে। এছাড়াও কখনো কখনো এদের পচা ফল, গাছের রস বা স্যাঁতসেঁতে মাটি থেকে খনিজ গ্রহণ করতে দেখা যায়, যা এদের খাদ্যাভ্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।


আত্মরক্ষার কৌশল : 

(Defensive Strategies of Commander – Moduza procris)

১. রঙ ও ছদ্মবেশ (Camouflage) ঃ 

কমান্ডার প্রজাপতির ডানার নিচের দিক সাধারণত বাদামি ও অনুজ্জ্বল রঙের, যা শুকনো পাতা বা গাছের বাকলের মতো দেখায়। প্রজাপতি যখন ডানা বন্ধ করে বসে থাকে, তখন এটি আশপাশের পরিবেশের সঙ্গে মিশে যায় এবং শিকারির চোখে পড়া কঠিন হয়।

২. হঠাৎ উড্ডয়ন (Startle Flight) ঃ

এই প্রজাপতি সাধারণত শান্তভাবে বসে থাকে, কিন্তু বিপদের আশঙ্কা হলে হঠাৎ দ্রুত ও জোরালো উড়ান শুরু করে। আকস্মিক এই উড্ডয়ন অনেক সময় পাখি বা অন্যান্য শিকারিকে বিভ্রান্ত করে।

৩. শক্তিশালী ও অনিয়মিত উড়ান ঃ 

কমান্ডার প্রজাপতির উড়ান শক্তিশালী এবং দিক পরিবর্তনকারী। এই অনিয়মিত ও দ্রুত গতির উড্ডয়ন শিকারিদের জন্য তাকে অনুসরণ করা কঠিন করে তোলে।

৪. নিরিবিলি পরিবেশে অবস্থান ঃ 

এরা সাধারণত ঘন বনাঞ্চল, ছায়াযুক্ত পথ ও ঝরনার আশেপাশে বিচরণ করে। এই ধরনের পরিবেশ শিকারির চাপ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় এটি একধরনের পরিবেশভিত্তিক আত্মরক্ষা হিসেবে কাজ করে।

৫. বিশ্রামের সময় সতর্কতা ঃ 

বিশ্রাম নেওয়ার সময় কমান্ডার প্রজাপতি সাধারণত দ্রুত পালানোর উপযোগী অবস্থানে থাকে। সামান্য বিরক্তি বা নড়াচড়া অনুভব করলেই এরা উড়ে যায়।

সারাংশ ঃ 

কমান্ডার প্রজাপতি (Moduza procris) ন্যাম্পালিডি পরিবারের একটি শক্তিশালী ও চঞ্চল প্রজাতি, যা মূলত দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বনাঞ্চলে বিস্তৃত। এরা সাধারণত একাকী স্বভাবের এবং বনপথ, ঝরনা ও খালের আশেপাশে বেশি বিচরণ করে।সামগ্রিকভাবে এটি একটি পরিবেশ-নির্ভর, আত্মবিশ্বাসী ও বনবাসী প্রজাপতি, যা সুস্থ বনবাস্তুতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত।


References : 

1. Kehimkar, I. (2016).
Butterflies of India.
Bombay Natural History Society (BNHS), Oxford University Press.

2. Evans, W. H. (1932).
The Identification of Indian Butterflies.
Bombay Natural History Society.

3. Talbot, G. (1947).
The Fauna of British India, Including Ceylon and Burma: Butterflies (Vol. II).
Taylor and Francis, London.

4. Haribal, M. (1992).
The Butterflies of Sikkim Himalaya and Their Natural History.
Sikkim Nature Conservation Foundation.

 5. Kunte, K. (2000).
Butterflies of Peninsular India.Universities Press.

6. Igarashi, S. & Fukuda, H. (2000).
The Life Histories of Asian Butterflies (Vol. 2).
Tokai University Press.

7. Bangladesh Forest Department & IUCN Bangladesh (Various Reports).

এই লেখায় ব্যবহৃত তথ্যসমূহ বিদ্যমান সাহিত্য ও সাধারণ মাঠ পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে উপস্থাপিত; বাংলাদেশে Moduza procris–এর হোস্ট প্লান্ট ও জীবনচক্র সম্পর্কিত বিস্তারিত গবেষণা এখনও সীমিত।

No comments:

Post a Comment

Commander

Commander  Scientific Name : Moduza procris ( Cramer, 1777 )  Family : Nymphalidae Subfamily : Limenitidinae Tribe : Limenitidini  Specie : ...

Popular Posts