Common Earl
Tanaecia julii Lesson,1837
Kingdom : Animalia
Phylum : Arthropoda
Class : Insecta
Order : Lepidoptera
Family : Nymphalidae
Subfamily : Heliconiinae
Genus : Phalanta Horsfield, 1820
Species : Phalanta phalantha Drury, 1773
Subspecies : Phalanta phalantha phalantha Drury, 1773
Common Leopard প্রজাপতি (Phalanta phalantha phalantha) Nymphalidae পরিবারের একটি পরিচিত প্রজাপতি। আমাদের দেশে একে চিতা নামে ডাকা হয়ে থাকে । প্রজাপতিটি সূর্যালোক পছন্দ করে এবং দিনে বেশি সক্রিয় থাকে। এটি পরিবেশের সঙ্গে ভালোভাবে মানিয়ে নিতে পারে, ফলে বিভিন্ন ধরনের পরিবেশে সহজে টিকে থাকতে সক্ষম। Common Leopard প্রজাপতি প্রকৃতির জীববৈচিত্র্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পরোক্ষ ভূমিকা রাখে।
দৈহিক বর্ণনা ঃ
প্রাপ্তবয়স্ক কমন লেপার্ড প্রজাপতি (Phalanta phalantha phalantha) আকারে মাঝারি এবং দৃষ্টিনন্দন গঠনযুক্ত। ডানার উপরিভাগ গাঢ় ট্যানি থেকে গভীর কমলা-বাদামি রঙের হয় এবং তাতে স্পষ্ট কালো দাগ ও রেখা থাকে, যা একত্রে প্রজাপতিটির পরিচিত “লেপার্ড-সদৃশ” নকশা তৈরি করে।
সামনের ডানায় কোষীয় অংশটি সূক্ষ্ম কালো রেখা দ্বারা অতিক্রান্ত, যা একটি অনিয়মিত কোষীয় চিহ্ন গঠন করে। ডিস্কাল অঞ্চলে সুস্পষ্ট কালো দাগ দেখা যায়, এর পরে পোস্টডিস্কাল অংশে অর্ধচন্দ্রাকৃতি (লুনিউল) দাগের একটি সারি উপস্থিত থাকে। ডানার প্রান্তের দিকে সাবটার্মিনাল অংশে একটি সূক্ষ্ম কালো রেখা এবং শিরার অগ্রভাগে টার্মিনাল অঞ্চলে কালো দাগের সারি স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।
পেছনের ডানায় একই ধরনের নকশা অব্যাহত থাকে—ডিস্কাল অঞ্চলে একাধিক কালো দাগ, পোস্টডিস্কাল অংশে অর্ধচন্দ্রাকৃতি দাগের সারি এবং সাবটার্মিনাল অংশে হালকা ঢেউখেলানো কালো রেখা দেখা যায়। প্রান্ত বরাবর শিরার অগ্রভাগে সুশৃঙ্খলভাবে বিন্যস্ত কালো দাগের সারি থাকে।
ডানার নিচের দিকটি তুলনামূলকভাবে ফ্যাকাশে, হালকা কমলা থেকে হলদেটে-কমলা রঙের হয়। এখানে দাগ ও রেখাগুলো উপরের দিকের তুলনায় অনেকটাই ম্লান এবং কালোর পরিবর্তে লালচে-বাদামি রঙের দেখা যায়। পাশ থেকে আলো পড়লে উভয় ডানার পোস্টডিস্কাল ও সাবমার্জিনাল অংশে একটি সূক্ষ্ম কিন্তু স্বতন্ত্র বেগুনি-চকচকে আভা লক্ষ্য করা যায়। নতুন ও অক্ষত ডানাযুক্ত প্রজাপতিতে এই বেগুনি আভা বিশেষভাবে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
পুরুষ ও স্ত্রী প্রজাপতির রঙ ও নকশায় তেমন পার্থক্য দেখা যায় না; উভয় লিঙ্গেই এই বৈশিষ্ট্যগুলো প্রায় একই রকমভাবে প্রকাশ পায়, যা প্রজাতিটিকে তার স্বতন্ত্র ও সুসংহত দেহরূপের মাধ্যমে সহজেই চেনা যায়।
The adult Common Leopard (Phalanta phalantha phalantha) is a medium-sized butterfly with a striking and well-defined appearance. The upperside of the wings is a rich tawny to deep orange-brown, boldly ornamented with black spots and streaks that give the butterfly its characteristic “leopard-like” pattern. On the forewings, the cell is crossed by fine black lines, forming an irregular cell mark, while the discal area carries distinct spots followed by a postdiscal series of lunulate markings. Towards the wing margin, a fine subterminal line and a terminal row of black spots at the vein ends are clearly visible.
The hindwings continue this pattern with a series of discal spots, a postdiscal row of lunules, and a gently waved subterminal line, ending in a neat terminal row of black spots along the vein tips.
The underside is noticeably paler, appearing light orange to yellowish-orange, with the markings much fainter and rendered in reddish-brown rather than black. When viewed in oblique or side light, a subtle yet distinctive purplish sheen becomes visible, particularly across the postdiscal and submarginal areas of both wings. In fresh individuals with pristine wings, this glossy purple sheen is especially pronounced and adds to the butterfly’s elegant appearance.
Males and females are similar in overall coloration and pattern, showing little obvious sexual dimorphism, making the species readily recognizable by its consistent and bold wing markings.
আচরণ ঃ
প্রাপ্তবয়স্ক কমন লেপার্ড প্রজাপতি (Phalanta phalantha phalantha) সাধারণত সক্রিয় ও চঞ্চল স্বভাবের। এটি সূর্যালোক পছন্দ করে এবং দিনের উজ্জ্বল সময়ে বেশি দেখা যায়। উড়ান দ্রুত ও শক্তিশালী হওয়ায় একে দীর্ঘ সময় স্থির অবস্থায় দেখা কঠিন; অল্প সময়ের জন্য পাতায় বা ঝোপের ওপর বসে আবার উড়ে যায়।
এরা প্রায়ই দুই বা তিনটি করে একসঙ্গে ফুলের আশেপাশে উড়ে বেড়ায় এবং বিভিন্ন বন্য ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে। ফুলের ঝোপের চারদিকে এদের ঘোরাফেরা বেশ চোখে পড়ার মতো। পুরুষ প্রজাপতিগুলোকে অনেক সময় নদীর তীরে ভেজা মাটি বা বালিতে বসে খনিজ ও আর্দ্রতা গ্রহণ করতে দেখা যায়। তবে তারা ভেজা স্থানের চেয়ে মূত্রের দাগ বা পচা জৈব বস্তুর প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয় এবং কখনও কখনও সেখানে বহু সংখ্যক প্রজাপতি একত্রে জমায়েত হয়।
এই প্রজাতির প্রজাপতিগুলো অস্থির স্বভাবের হওয়ায় আলোকচিত্র ধারণ করা তুলনামূলকভাবে কঠিন। তবুও রৌদ্রোজ্জ্বল পরিবেশে ফুলের কাছে বা ভেজা মাটিতে দলবদ্ধ অবস্থায় এদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করা যায়।
কমন লেপার্ড প্রজাপতি সাধারণত সক্রিয় ও চঞ্চল। দিনের উজ্জ্বল সময়ে এটি সহজেই লক্ষ্য করা যায়। প্রায়ই দুই বা তিনটি করে ছোট দলে ফুলের আশেপাশে ঘুরে বেড়ে মধু সংগ্রহ করে। পুরুষরা মাঝে মাঝে নদীর তীরে ভেজা মাটি বা বালিতে বসে খনিজ গ্রহণ করতে দেখা যায়। তবে তারা মূত্র বা পচা জৈব পদার্থের প্রতি বেশি আকৃষ্ট, এবং কখনও কখনও সেখানে কয়েক ডজন প্রজাপতি একত্রে জমায়েত হয়।
এই প্রজাতি বিভিন্ন ধরনের পরিবেশে যেমন বনাঞ্চল ও খোলা মাঠ, ঝোপঝাড়,শহরের পার্ক, বাগান এবং রাস্তার ধারের ঝোপঝাড়,কৃষিজমির আশেপাশে ভালো ভাবে মানিয়ে নিতে পারে। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,৫০০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত বিচরণ করতে পারে। নতুন বা প্রাকৃতিক পরিবেশে এই প্রজাপতি তার রঙিন ও চকচকে ডানার মাধ্যমে সহজেই চোখে পড়ে।
বৈদেশিক অবস্থান (International Distribution) ঃ
কমন লেপার্ড প্রজাপতি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিস্তৃত অঞ্চলে দেখা যায়। এটি ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান ও মায়ানমার পর্যন্ত বিস্তৃত। আরও পূর্বে, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন দ্বীপ এবং ফিলিপাইন পর্যন্ত এর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
প্রজাতিটি চীনের দক্ষিণাঞ্চল, জাপান ও দক্ষিণ-পশ্চিম আরবিয়ার কিছু অংশেও পাওয়া যায়। আফ্রিকার সাব-সাহারান অঞ্চলে এটি Phalanta phalantha এর ভিন্ন উপপ্রজাতি হিসেবে পাওয়া যায়, যেখানে এটি স্থানীয় পরিবেশে সহজে মানিয়ে নেয়।
এই বিস্তৃত বৈদেশিক বিস্তারই প্রমাণ করে যে কমন লেপার্ড প্রজাপতি পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে এবং উষ্ণ, উপ-উষ্ণ উভয় অঞ্চলের জন্য অভিযোজনযোগ্য।
খাদ্য (Food) ঃ
হোস্ট প্লান্ট (Larval Host Plants):
লার্ভা বা শিশু প্রজাপতি মূলত পাতাযুক্ত উদ্ভিদ খায়। প্রিয় স্থানীয় হস্ট প্লান্টের মধ্যে রয়েছে:
Rukam Asam (Flacourtia inermis)
Weeping Willow (Salix babylonica)
ম্যাঙ্গো (Mangifera indica)
লার্ভা সাধারণত পাতা থেকে পুষ্টি গ্রহণ করে এবং তরুণ ও মধ্যবয়সী পাতা বেশি পছন্দ করে।
নেক্টার প্লান্ট (Adult Nectar Sources) ঃ
প্রাপ্তবয়স্ক প্রজাপতিরা নির্দিষ্ট ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে। এর প্রিয় নেক্টার প্লান্টগুলোর মধ্যে রয়েছে:
Tridax
Common Floss Flower
Singapore Daisy
Marigold
Eupatorium
অন্যান্য স্থানীয় বন্য ফুল
পুরুষ প্রজাপতি মাঝে মাঝে ভেজা মাটি বা বালিতে বসে খনিজ গ্রহণ করে। তারা মূত্র বা পচা জৈব পদার্থের প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং সেখানে কখনও কখনও বহু প্রজাপতি একত্রিত হয়।
জীবন চক্র ঃ
কমন লেপার্ড প্রজাপতির জীবনচক্র চারটি ধাপে বিভক্ত: ডিম, লার্ভা (কেঁচো), পাপা এবং প্রাপ্তবয়স্ক প্রজাপতি। প্রজাপতির মা ডিমগুলো সাধারণত হস্ট গাছের পাতা বা পলকীয় অংশে রাখে। ডিমগুলি ছোট এবং অণ্ডাকার, যা কয়েক দিনে ফুটে লার্ভায় পরিণত হয়।
লার্ভা পর্যায়ে প্রজাপতি দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং হস্ট গাছের নরম ও তরুণ পাতা খেয়ে পুষ্টি সংগ্রহ করে। লার্ভা বিভিন্ন ধাপ বা ইনস্টারে বৃদ্ধি পায়, প্রতিটি ধাপে শারীরিক আকার এবং রঙের কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। পর্যাপ্ত খাদ্য ও নিরাপদ পরিবেশ থাকলে লার্ভা দ্রুত পূর্ণবয়স্ক আকারে পৌঁছে।
এরপর লার্ভা একটি পাপা গঠন করে, যা প্রায়শই গাছের পাতার তলদেশে বা নিরাপদ স্থানে ঝুলে থাকে। পাপা পর্যায়ে প্রজাপতির শারীরিক পরিবর্তন ঘটে এবং ডানাসহ প্রাপ্তবয়স্ক প্রজাতির আকার ও রঙ তৈরি হয়। কিছু সময় পরে, প্রাপ্তবয়স্ক প্রজাপতি পাপা থেকে বেরিয়ে আসে এবং কিছুক্ষণ ডানা শুকাতে ও শক্ত হতে অপেক্ষা করে।
প্রাপ্তবয়স্ক প্রজাপতি কয়েক দিনে রঙিন ও চকচকে ডানা নিয়ে সক্রিয়ভাবে উড়তে শুরু করে। তারা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে এবং পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেয়। লার্ভা ও প্রাপ্তবয়স্ক প্রজাপতির খাদ্য, আবাসস্থল এবং আবহাওয়া তাদের জীবনের প্রতিটি পর্যায়ের সময়কাল প্রভাবিত করে।
প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা (Natural Defense) ঃ
কমন লেপার্ড প্রজাপতি তার রঙিন ও দাগযুক্ত ডানার মাধ্যমে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বজায় রাখে। ডানার উজ্জ্বল কমলা‑বাদামি রঙ ও কালো দাগ predator‑এর জন্য প্রজাতির আকার এবং সীমা ভাঙতে সাহায্য করে, যা disruptive coloration নামে পরিচিত। এর ফলে শিকারি সহজে প্রজাতিটিকে লক্ষ্য করতে পারে না।
যদিও এই প্রজাপতি বিষাক্ত নয়, এর উজ্জ্বল রঙ এবং স্পটগুলো predator‑এর কাছে সতর্কতার সংকেত হিসেবে কাজ করতে পারে, যা predator‑কে প্রজাতি খাওয়ার আগে পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করে। এছাড়াও, কমন লেপার্ড প্রজাপতি খুব দ্রুত ও শক্তিশালী উড়ান করে, এবং দীর্ঘ সময় স্থির থাকে না, যা predator‑এর নজর এড়াতে সাহায্য করে।
সংক্ষেপে, এই প্রজাপতির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রধানত উজ্জ্বল প্যাটার্ন ও রঙ, দ্রুত উড়ান, এবং পরিবেশের সাথে মিলিত কিছু camouflage‑র মাধ্যমে কাজ করে।
হুমকি ও সংরক্ষণ (Threats & Conservation) ঃ
কমন লেপার্ড প্রজাপতি বর্তমানে বিপন্ন নয় এবং বিস্তৃতভাবে পাওয়া যায়। তবে কিছু স্থানীয় হুমকি রয়েছে, যেমন বনাঞ্চল ও উদ্যানের হ্রাস, রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার এবং আবাসস্থলের ক্ষয়। এই কারণে প্রজাতিটি কিছু অঞ্চলে স্থানীয়ভাবে সংখ্যায় হ্রাস পেতে পারে।
সংরক্ষণ ব্যবস্থায় হস্ট ও নেক্টার উদ্ভিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। পার্ক, বাগান ও কৃষিজমির আশেপাশে প্রাকৃতিক উদ্ভিদ রাখা প্রজাতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। সাধারণ পরিবেশে সচেতনতা এবং প্রাকৃতিক অভ্যন্তরীণ উদ্ভিদের সংরক্ষণই এই প্রজাতির সুস্থ অবস্থার জন্য যথেষ্ট।
সারাংশ ঃ
কমন লেপার্ড প্রজাপতি (Phalanta phalantha phalantha) একটি মধ্যম আকৃতির, উজ্জ্বল কমলা-বাদামি ডানার প্রজাপতি, যা সূর্যালোক পছন্দ করে। এর লার্ভা প্রধানত Rukam Asam, Weeping Willow এবং ম্যাঙ্গো পাতায় বৃদ্ধি পায়, আর প্রাপ্তবয়স্ক প্রজাতি বিভিন্ন বন্য ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে। এটি চঞ্চল ও দ্রুত উড়ন্ত, সাধারণত দুই বা তিনটি করে ছোট দলে দেখা যায়। প্রজাতিটি বন, খোলা মাঠ, সাভানা, পার্ক, বাগান এবং কৃষিজমির আশেপাশে বিস্তৃতভাবে পাওয়া যায় এবং বৈদেশিকভাবে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে আছে। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় উজ্জ্বল প্যাটার্ন, দ্রুত উড়ান এবং কিছুটা camouflage কাজ করে। বর্তমানে বিপন্ন নয়, তবে স্থানীয়ভাবে আবাসস্থল ক্ষয় এবং রাসায়নিক ব্যবহার কিছু প্রভাব ফেলতে পারে।
References :
Kunte, K., Sondhi, S., & P. Roy (Eds.) 2025. Phalanta phalantha (Drury, [1773]) – Common Leopard. Butterflies of India, Indian Foundation for Butterflies.
Phalanta phalantha species account
Common Leopard. LearnButterflies.com — habitat & foodplant notes.
Soman & Kawthankar 2025. Phalanta phalantha larval host plant on Populus ciliata. iFoundButterflies.org.
Wilpattu National Park butterfly list — distribution & plant associations.
অপেক্ষার শেষে দেখা মিলল Jezebel দের
২০১৪ সালের কথা ! তখন সবেমাত্র আমি প্রজাপতি চিনা শুরু করেছি । সব প্রজাপতির নামও জানি না, অনেক রকমের প্রজাপতি আছে যা দেখেলে একি মনে হতো । নাম জানাটা তখনো মুখ্য হয়ে ওঠেনি; চোখে ধরা পড়া রঙ, উড়ানের ভঙ্গি, ফুলে বসার সময়কার স্থিরতা এই সব মিলিয়েই পরিচয় গড়ে উঠছিল। সাতছড়ি গেলেই নতুন প্রজাপতির সাথে পরিচয় হই, আর ফেসবুকতো আছেই , এক ধরনের চলমান ফিল্ড গাইড। যার মাধ্যমে সারা দেশের প্রজাপ্রতি প্রেমিদের প্রজাপতির পোস্ট পাওয়া যায়। এ এক অদম্য নেশার জগতে পা রাখা । কি যে এক নেশা ! প্রতি মাসে একবার দুইবার বনে না গেলে শান্তি পাই না ।যেই ভাবেই হোক বনে ছুটে চলা । আর বনে গেলেই নতুন নতুন কিছু পাওয়া ।নতুন মানি আমার কাছে নতুন । সেই স্রোতের মধ্যেই কিছু প্রজাতি চোখে গেঁথে গেল। এর মধ্যে একটি বিশেষ প্রজাপতি ছিল, যেটা আমাকে আর প্রসেঞ্জিতকে আলাদা করে নাড়া দিত। বারবার ফেইসবুকে চোখে পরতো ছবিতে, কিন্তু মাঠে গিয়ে পাওয়া যেত না। এক অস্থিরতা কাজ করতো।
It was 2014! Back then, I had just begun to explore butterflies. I didn’t know the names of all of them; so many looked so similar that it was hard to tell them apart. Naming them wasn’t my main concern yet; I identified them by the colors I saw, their flight patterns, the way they perched on flowers, and the stillness they held while resting. Every trip to Satkhira brought me face to face with a new butterfly, and of course, there was Facebook a kind of moving field guide. Through it, I could see posts from butterfly enthusiasts all across the country.
It was stepping into an irresistible world of obsession. What a passion it was! If I didn’t venture into the forest once or twice a month, I couldn’t find peace. Somehow, I had to rush into the woods, and whenever I did, I discovered something new. To me, every new species was a novelty.
Amid this flow, certain species etched themselves into my memory. Among them, one particular butterfly stood out, one that stirred something unique in both me and Prasenjit. I would repeatedly see it in photos on Facebook, yet encountering it in the field remained elusive. It stirred a kind of restless anticipation within me.
সাতছড়ি, লাওয়াছড়া, কালেঙ্গা ঘুরে ঘুরে খুঁজেছি। কোথাও নেই। আখাউরা থাকে ছোট ভাই আজহার, সেও প্রজাপতি প্রেমী। দেখি সে নিয়মিত সেই প্রজাপতির ছবি পোস্ট করছে। বলল, ওদের এলাকার রেললাইনের পাশের ঝোপঝাড়ে নাকি প্রজাপতিগুলাকে দেখা যায়। আখাউরায় যাওয়ার কথা উঠেছিল, প্রসেঞ্জিতের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছিল, কিন্তু সময় আর বাস্তবতার কারণে যাওয়া হয়ে ওঠেনি।
I searched all over Satkhira, Lawachhara, and Kalenga—but it was nowhere to be found. My younger brother Azhar, who lives in Akhaura, is also a butterfly enthusiast. I noticed he was regularly posting pictures of that very butterfly. He said they could supposedly be seen in the bushes along the railway tracks in his area.
There had been plans to go to Akhaura, and I had discussed it with Prasenjit as well, but due to time constraints and practical realities, the trip never materialized.
এরপর ২০১৫ সালের মার্চের প্রথম সপ্তাহে মুনির দাদার আবিষ্কার করা আদমপুর বনে যাওয়া। দাদা আদমপুর বনকে মজা করে বলতেন ‘প্রজাপতির খনি’। পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই বোঝা গেল, নামটা অকারণে নয়। চারদিকে প্রজাপতি আর প্রজাপতি । আমরা ৭ থেকে ৮ জন ছিলাম, আমি আর প্রসেঞ্জিত একটু আলাদা হয়ে পড়লাম। বড় দলে থাকলে মাঠ পর্যবেক্ষণে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয় পরে। আমরা ঝোপঝাড়ের ভেতর দিয়ে ধীরে ধীরে এগোলাম, একটা টিলার দিকে। ঝোপঝাড় মানেই ঝুঁকি, বিশেষ করে সাপের কথা মাথায় থাকে, কিন্তু প্রসেঞ্জিত পাশে থাকলে সেই ভয়টা অনেকটাই চাপা পরে যায়।
Then, in June 2014, right by the bushes along the main road near Dhaka Airport, I suddenly caught sight of that long-desired species. It didn’t stay for long. I clicked a photo as quickly as I could, and it was gone. The picture existed, but it couldn’t exactly be called a good one. A few days later, I saw it again at Jahangirnagar University. The circumstances were the same lighting, distance, and time all aligning in a way that still left complete satisfaction just out of reach.
Then, in the first week of March 2015, we went to Adampur Forest, discovered by Munir’s elder uncle. Uncle jokingly called Adampur the “butterfly mine.” The moment we set foot there, it was clear the name wasn’t an exaggeration everywhere we looked, there were butterflies. There were about seven or eight of us, but Prasenjit and I naturally drifted a bit apart from the group. It’s hard to stay fully attentive to field observations in a big group anyway. We slowly made our way through the bushes toward a small hill. Walking through thick undergrowth always carries some risk especially the thought of snakes but having Prasenjit beside me dulled that fear considerably.
যেই প্রজাপতিদের প্রতি এতো আকর্ষণ, তার হোল Jezebel প্রজাতির প্রজাপতি গুলা। Jezebel প্রজাতির মধ্যে ঢাকা আর জাহাঙ্গীরনগরে পেয়েছিলাম Common Jezebel কে। আর আদমপুরে, একসঙ্গে ধরা দিল Red-spot Jezebel, Red-base Jezebel , Painted Jezebel। আমি আর প্রসেঞ্জিত দেরি করিনি। একটার পর একটা ফ্রেম তুলতে শুরু করলাম। মাঝে মাঝে থেমে শুধু দেখলাম ওদের ডানায় রঙ্গের খেলা,কিভাবে অল্প নড়াচড়াতেই সতর্ক হয়ে ওঠে।
এই Jezebel গুলোর রঙ কোনো ছবিতে পুরোটা ধরা পড়ে না। এগুলো দেখতে হয় খোলা আলোতে, বনের নীরবতার ভেতরে দাঁড়িয়ে। সেদিন আদমপুরে আমি শুধু কিছু বিরল প্রজাপতি পাইনি; আমি পেয়েছিলাম খোঁজার আনন্দ, অপেক্ষার ফল। আজও যখন সেই ডানার রঙ মনে পড়ে, মনটা আপনাআপনি ছুটে যায় আদমপুর বনের দিকে মুনির দাদার প্রজাপতির খনি যেখানে রোদে দাঁড়িয়ে, নিঃশব্দে, Jezebel গুলো মধু আহরণ করছিল।
The butterflies that held such fascination for us were of the Jezebel species. Among the Jezebels, we had spotted the Common Jezebel in Dhaka and at Jahangirnagar University. But at Adampur, we finally encountered them together the Red-spot Jezebel, Red-base Jezebel, and Painted Jezebel.Prasenjit and I didn’t waste any time. One after another, we started capturing frames. Occasionally, we would pause just to watch the play of colors on their wings, and how they became alert at the slightest movement.
The colors of these Jezebels can never be fully captured in a photograph. You have to see them in the open light, standing in the silence of the forest. That day at Adampur, I didn’t just find a few rare butterflies; I found the joy of searching, the reward of waiting.Even today, when I recall the colors of their wings, my mind instinctively drifts back to Adampur the “butterfly mine” discovered by Munir’s uncle where, standing in the sunlight and in complete silence, the Jezebels were quietly gathering nectar.
নীচের পাখার দিক মলিন বাদামী, যেখানে ঢেউখেলানো রেখা ও ক্ষুদ্র দাগসমূহ রয়েছে, যা শুকনো পাতা এবং মাটির আবরণের সঙ্গে মিলিত হয়ে প্রজাপতিকে প্রাকৃতিক ছদ্মবেশ বা মিমিক্রিতে সহায়তা করে। সামনের পা পিছনের পায়ের তুলনায় ছোট এবং লোমযুক্ত, যা ব্রাশ-ফুটেড প্রজাতির প্রধান বৈশিষ্ট্য এবং প্রাপ্তবয়স্কদের খাবার সংগ্রহ ও স্থিতিশীল অবস্থানের সময় কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
মৌসুম অনুসারে পাখার রঙ ও আকৃতিতে প্রশস্ত ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। ভেজা মৌসুমে চিহ্নগুলো উজ্জ্বল ও স্পষ্ট, এবং পাখার প্রান্ত সামান্য গোলাকার, যা ফুলের রঙ এবং পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। শুষ্ক মৌসুমে চিহ্নগুলো ফ্যাকাশে ও অস্পষ্ট হয়, এবং পাখার প্রান্ত খসখসে ও কোণাকৃতির হয়ে যায়, যা শুকনো পাতা ও মাটির সঙ্গে মিলিয়ে প্রজাপতিকে কার্যকরভাবে লুকিয়ে রাখে।
পুরুষ Lemon Pansy সাধারণত ‘wait and see’ কৌশল ব্যবহার করে স্ত্রী প্রজাপতিকে খোঁজে, কিন্তু এটি অন্য প্রজাতির তুলনায় খুব আক্রমণাত্মক নয়, যদিও এটি নিজের টারিটোরিয়াল অধিকার রক্ষায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়।
প্রজাপতিটি সাধারণত দুই-তিনটি একসঙ্গে দেখা যায়, তবে কখনো একা বসে বা উড়তে দেখা যায়। এর চোখের দাগ (eyespots) শিকারীদের বিভ্রান্ত করতে সাহায্য করে। শিকারী আক্রমণ করলে, প্রজাপতি দ্রুত পালায়, কিন্তু উড়তে সক্ষমতা কমে যাওয়া বা পাখার ক্ষতির কারণে ধীরে ধীরে শিকারীদের দ্বারা ধরা পড়তে পারে।
Lemon Pansy ভেজা এবং শুষ্ক মৌসুমে বিভিন্ন আচরণগত পার্থক্য প্রদর্শন করে; যেমন ভেজা মৌসুমে এটি উজ্জ্বল আলোতে বেশি সক্রিয় এবং সূর্যস্নান করে, আর শুষ্ক মৌসুমে ফ্যাকাশে পাখা ও খসখসে প্রান্তের কারণে এটি মাটির আবরণে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় অধিক সাবধান থাকে।
প্রজাতিটি শুষ্ক ও ভেজা মৌসুম উভয়েই সক্রিয়, সূর্যস্নান করতে খোলা স্থানে বসতে পছন্দ করে এবং প্রায়শই নিচু উদ্ভিদ ও ফুলের কাছাকাছি অবস্থান করে। বাগান বা বন্য ফুলের রস আহার করাই এর প্রধান খাদ্যাভ্যাস। নদী তীরবর্তী এলাকা, খোলা মাঠ ও গ্রামের আশেপাশের উদ্ভিদসমৃদ্ধ স্থানগুলোতে এটি বেশি লক্ষ্য করা যায়।
Lemon Pansy প্রায়শই শুকনো পাতার আবরণ বা মাটির সঙ্গে মিলিয়ে নিজেকে লুকিয়ে রাখে (camouflage), বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে। ভেজা মৌসুমে এটি উজ্জ্বল ও উন্মুক্ত এলাকায় সক্রিয় থাকে। এই প্রজাতি মাঝে মাঝে অস্থায়ী বা অভিবাসী হিসেবে অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে বৃষ্টিপূর্ণ বা আর্দ্র এলাকায়।
ভারতে এটি দক্ষিণ ও মধ্য ভারতে সর্বাধিক দেখা যায়, পশ্চিমে দক্ষিণ গুজরাট এবং পূর্বে পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত। হিমালয় অঞ্চলে ২৭০০ মিটার পর্যন্ত উচ্চতায় দেখা যায়, যেখানে এটি সাধারণত খোলা ঘাসবন ও বাগানে সক্রিয় থাকে। লেবু প্যানসি মাঝে মাঝে অস্থায়ী বা অভিবাসী প্রজাতি হিসেবে অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষ করে ভেজা মৌসুমে বৃষ্টিপূর্ণ বা আর্দ্র এলাকায়।
খাদ্য (Food):
লেবু প্যানসির প্রাপ্তবয়স্করা মূলত ফুলের রস আহার করে, বিশেষ করে বাগান ও বন্য উদ্ভিদে থাকা ছোট ছোট ফুল। বাংলাদেশে এটি প্রায়শই নিচু উদ্ভিদ ও বাগানের ফুল থেকে রস সংগ্রহ করতে দেখা যায়। এছাড়াও প্রজাপতিটি মাঝে মাঝে আর্দ্র জমি বা ভেজা মাটির কাছাকাছি বসে পানি বা লবণীয় পদার্থ শোষণ করে।
কীটপতঙ্গের শিশুপ্রজাতি (ক্যাটারপিলার) বিভিন্ন উদ্ভিদ খায়। লার্ভা বা শুঁয়োপোকা সাধারণত নিচু উদ্ভিদ ও পাতা খায়। লার্ভার জন্য পরিচিত খাদ্য উদ্ভিদগুলির মধ্যে রয়েছে:
Barleria prionitis
Hygrophila schulli
Lindernia rotundifolia
এছাড়াও কিছু Acanthaceae, Amaranthaceae, Malvaceae, Rubiaceae, Tiliaceae এবং Verbenaceae পরিবারের উদ্ভিদ লার্ভার খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
নেক্টার প্ল্যান্ট (Nectar Plants):
প্রাপ্তবয়স্ক Lemon Pansy (Junonia lemonias) মূলত ফুলের রস আহার করে। বাংলাদেশে এটি সাধারণত Aztec Marigold, Lantana, Bachelor's Button, Butterfly Bush (Buddleja), Ceylon Carissa এবং অন্যান্য বাগান ও বন্য ফুল থেকে নেক্টার সংগ্রহ করে। প্রজাপতিটি প্রায়শই নিচু উদ্ভিদ বা ফুলের কাছাকাছি বসে আহার করে, এবং মাঝে মাঝে আর্দ্র জমি বা ভেজা মাটির কাছাকাছি পানি বা লবণীয় পদার্থ শোষণ করতেও দেখা যায়।
জীবনচক্র (Life Cycle):
Lemon Pansy জীবনচক্র সাধারণত চারটি ধাপে বিভক্ত:
১। ডিম (Egg):
ডিম একটিমাত্র পাতা বা পাতার নিচে রাখা হয়। ডিম সবুজ ও ব্যারেল-আকৃতির এবং এতে লম্বা-লম্বি রিজ (longitudinal ridges) থাকে।
২। শুঁয়োপোকা (Caterpillar / Larva):
শুঁয়োপোকা সিলিন্ড্রিক্যাল ও সমানমাপের, লম্বা লোম বা কাঁটা দিয়ে ঢেকে থাকে। এর দেহ ধূসর-কালো বা নীলাভ শ্যামলা, এবং মাথার পিছনে একটি প্রসিদ্ধ কমলা রিং থাকে। শুঁয়োপোকা পাতার নিচে থাকে এবং বিঘ্ন ঘটলে গোল হয়ে মাটিতে পড়ে যায়।
৩। পিউপা (Pupa / Chrysalis):
পাপা সাধারণত মাটির কাছে ঘন লতাপাতা বা গাছের ডালপালায় তৈরি হয়। এটি সংক্ষিপ্ত, শিলের মতো ছোট কন, বাদামী রঙের ও ছিদ্রপূর্ণ। পাপা পরিবেশের সঙ্গে মিশে থাকে, যা শিকারী থেকে রক্ষা পেতে সহায়ক।
৪। প্রাপ্তবয়স্ক প্রজাপতি (Adult):
প্রাপ্তবয়স্ক প্রজাপতি উড়ে ও ফুল থেকে রস আহার করে, সূর্যস্নান করে এবং প্রজননের জন্য উপযুক্ত পরিবেশে ডিম দেয়।
প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Defense / Camouflage & Mimicry) ঃ
Lemon Pansy প্রায়শই শিকারীর চোখ এড়াতে বা বিভ্রান্ত করতে চোখের দাগ (eyespots) ব্যবহার করে। পাখার উপরের দিকের চোখের দাগ শিকারীর দিকে আকর্ষণ সৃষ্টি করে এবং গুরুত্বপূর্ণ শরীরের অংশ থেকে মনোযোগ সরিয়ে দেয়।
পাখার নীচের দিকের ফ্যাকাশে বাদামী রঙ, ঢেউখেলানো রেখা এবং ছোট দাগ প্রজাপতিকে শুষ্ক পাতার বা মাটির আবরণের সঙ্গে মিলিয়ে লুকিয়ে রাখে (camouflage)। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে এই ছদ্মবেশ খুব কার্যকর হয়।
ভেজা মৌসুমে পাখার রঙ উজ্জ্বল এবং প্রান্ত সামান্য গোলাকার হলেও, চোখের দাগ এবং পাখার রেখাচিত্র প্রাকৃতিক শিকারীদের বিভ্রান্ত করতে সাহায্য করে। ফলে, লেবু প্যানসি মৌলিক মিমিক্রি ও ছদ্মবেশের সমন্বয় ব্যবহার করে শিকারী থেকে নিজেকে রক্ষা করে।
Lemon Pansy (Junonia lemonias) বাংলাদেশে সাধারণভাবে লক্ষ্য করা যায়, কিন্তু এটি কিছু প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট হুমকির মুখে পড়তে পারে। এর প্রধান হুমকিগুলো হলো:
১। আবাসস্থলের ধ্বংস:
খোলা জমি,বাগান,পতিত জমি ও ছোট ছোট ঝোপঝাড় গুলা কমে যাওয়াতে Lemon Pansy আবাসস্থল সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই ছারা নতুন নতুন রাস্তা নির্মাণ, নগরায়নের কারনে এদের আবাস্থল ধ্বংস হচ্ছে ।
২। Pesticide এবং কীটনাশক ব্যবহার :
বাগান ও চাষের জমিতে অতিমাত্রায় কীটনাশক ব্যবহারে লার্ভা ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ই মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয়।
৩। পরিবেশগত পরিবর্তন:
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেও এর মারাত্মক ভাবে হুমকির মধ্যে আছে ।
সংরক্ষণ ব্যবস্থা:
বাগান ও খোলা জমি, যেখানে প্রাকৃতিক উদ্ভিদ রয়েছে, সেগুলো রক্ষা করা।
কীটনাশক কম ব্যবহার করা।
স্থানীয় প্রাকৃতিক উদ্ভিদ যেমন Barleria, Hygrophila ইত্যাদি লার্ভার খাদ্য উদ্ভিদ সংরক্ষণ।
স্কুল, উদ্যান ও কমিউনিটি পর্যায়ে প্রজাপতি পর্যবেক্ষণ ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম চালানো।
এই হুমকি ও সংরক্ষণ বিষয়গুলো বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে প্রযোজ্য, যা স্থানীয় পরিবেশে Lemon Pansy টিকে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
References :
Evans, W.H. (1932). The Identification of Indian Butterflies (2nd ed.). Bombay Natural History Society, Mumbai, India.
Gay, Thomas; Kehimkar, Isaac David; Punetha, Jagdish Chandra (1992). Common Butterflies of India. Nature Guides. Oxford University Press for World Wide Fund for Nature-India, Bombay, India. ISBN: 978-0195631647.
Haribal, Meena (1992). The Butterflies of Sikkim Himalaya and Their Natural History. Sikkim Nature Conservation Foundation, Gangtok, Sikkim, India.
Kunte, Krushnamegh (2000). Butterflies of Peninsular India. Universities Press, Hyderabad, India. ISBN: 978-8173713545.
Wynter-Blyth, Mark Alexander (1957). Butterflies of the Indian Region. Bombay Natural History Society, Bombay, India. ISBN: 978-8170192329.
Wikipedia contributors. (n.d.). Junonia lemonias. In Wikipedia.
Satish Nikam. (n.d.). Lemon Pansy Butterfly (Junonia lemonias). Flickr. Creative Commons BY-NC-SA.
Forest health written in the shade of wings :
The answer to how healthy a forest is does not lie only in the height or density of its trees. Often, that answer emerges in the flutter of colorful wings. To a butterfly, a forest is not merely trees or flowers; it is a complex living system shaped by the interaction of light, shade, humidity, silence, and time. Therefore, observing what kinds of butterflies are found in a forest can reveal how alive that forest truly is.
Forests dominated by butterflies such as the Common Lime, Psyche, Cabbage White, or Common Grass Yellow usually show clear signs of human presence and disturbance. These species are highly adaptable and can survive easily in altered environments. They are commonly seen along roadsides, in gardens, and even in partially degraded forests. Thus, their abundance does not necessarily indicate a healthy forest; rather, it often suggests that the forest is under pressure and that its natural structure has been altered or fragmented.
In contrast, when butterflies such as the Common Birdwing, Common Rose, Blue Mormon, Jezebel, Clipper, Nawab, or various Crow species are found breeding regularly in a forest, it conveys a significant ecological signal. These butterflies depend on specific host plants, stable forest canopies, and relatively undisturbed environments. They do not survive easily in newly formed or heavily exploited forests. Their presence indicates that the forest is not merely standing, but that its internal ecological balance remains largely intact.
Butterfly diversity is the most important indicator here. A forest may host a large number of butterflies, but if species diversity is low and only a few adaptable species are present throughout the year, it reflects ecological monotony. In contrast, seasonal variation in species, the appearance of eggs or caterpillars at specific times, and regular breeding cycles provide evidence of long-term ecological stability.
Therefore, it is not enough to observe whether a forest has many butterflies. What matters is which species are present, during which months certain species are most abundant, and whether they are able to reproduce there. These subtle details often signal changes that are not immediately visible. A forest may still appear green, yet the disappearance of butterflies is an early warning of ecological stress.
Butterflies are thus the silent examiners of the forest. They speak not through numbers, but through diversity. They tell us which forests are merely surviving and which ones are truly alive. If we learn to understand this silent language of wings, we can read a forest’s past, present, and future all at once.
Commander Scientific Name : Moduza procris ( Cramer, 1777 ) Family : Nymphalidae Subfamily : Limenitidinae Tribe : Limenitidini Specie : ...